কয়েক মাসের মধ্যে মঙ্গলে মানুষ নিতে প্রস্তুত হচ্ছে স্টারশিপ
স্টারশিপ উন্মোচনের পরপরই মাস ছয়েকের মধ্যেই এই নভোযান চাঁদ এমনকি মঙ্গলেও পাড়ি জমানোর জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক।
মেক্সিকো সীমান্ত টেক্সাসের একটি গ্রাম বোকা চিকায় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে এই ঘোষণা দেন তিনি। এখানেই প্রস্তুত হচ্ছে স্টারশিপ।
স্পেসএক্সের সিইও এলন মাস্ক সংস্থাটির রকেট স্টারশিপের কাজের উন্নতি নিয়ে সম্প্রতি একটি প্রোটোটাইপ উপস্থাপনা করেন তিনি। জানান, চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে যাত্রীদের স্পেস টুর উদ্দেশ্যে বানানো হয়েছে।
একপাশে ১১ বছরের ইতিহাস ফ্যালকন ১, অন্যপাশে ভবিষ্যতের নভোযান স্টারশিপ। এই স্টারশিপের পাশে দাঁড়িয়ে মাস্ক জানালেন, মসৃন স্টিল দিয়ে তৈরী যানটি প্রায় ডজনখানেক মানুষকে চাঁদে এবং মঙ্গলে নিতে সক্ষম।
স্পেসএক্সে সংযুক্ত রয়েছে তিনটি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য র্যাপপ্টর ইঞ্জিন। বেসের সাথে সংযুক্ত এই অতিকায় যানটি ১৬৫ ফিটের বেশি লম্বা। জ্বালানী বোঝাই অবস্থায় ওজন প্রায় ১৪০০ টন। স্পেস এক্স এর সুপার হেভি বুস্টারের সাথে একত্রিত হয়ে সর্বকালের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট হবে স্টারশিপ। স্যাটার্ন-ভি ( চাঁদে যাওয়া রকেট) এর দ্বিগুণ থারস্ট দিতে পারবে এই রকেট!
বললেন, “মহাকাশমুখী একটি সভ্যতা হিসেবে নিজেদের দাঁড় করাতে হলে আমাদের যে গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি পেরোতে হবে তা হলো এই মহাকাশ ভ্রমণকে আমাদের স্বাভাবিক উড়োজাহাজে ভ্রমণের পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে।”
মাস্কের এই চন্দ্রমিশনটি মূলত নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামের সমান্তরাল যেখানে নাসা ২০২৪ সালে চাদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।